August 30, 2025
আজকের পত্রিকা
তৈরি পোশাক খাত: চীন ও ভারতের হারানো কাজ ধরার প্রস্তুতি নেই
তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অবকাঠামোর উন্নয়ন না হলে বাড়তি অর্ডার নিয়ে পণ্য সাপ্লাই কীভাবে সম্ভব বলেন? এখনকার যে অর্ডার তার সাপ্লাই দিতেই হিমশিম খাচ্ছি আমরা। কারণ, নানা সমস্যায় এখনো ৩০ শতাংশ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত চাপ না পাওয়ার কারণে অনেক কারখানা তাদের পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না।’বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘যদি বাড়তি অর্ডার ধরতে হয়, তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান তো করতেই হবে। এ ছাড়া বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যাংকঋণের সুদহার কমানো, ব্যাংকগুলোর তারল্যসংকট দূর করতে হবে। দর-কষাকষির সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। এসব সমস্যার সমাধান হলে খুব দ্রুতই রপ্তানি বাড়বে।’
প্রথমআলো
যুক্তরাষ্ট্রের তুলা আমদানিতে সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা
যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক কমাতে দেশটি থেকে তুলা আমদানির চুক্তি করেছিলেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন বস্ত্রকলমালিক। তারপর এক মাস হতে চললেও তুলা আমদানির জন্য ঋণপত্র খুলতে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তাঁরা। কারণ, তৈরি পোশাকশিল্পের প্রয়োজনীয় এ কাঁচামাল আমদানির আগে সরকারের কাছ থেকে কিছু প্রণোদনা চান ব্যবসায়ীরা। অবশ্য আমদানিকারকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলার দাম অন্য দেশের তুলনায় কিছুটা বেশি। আবার দেশটি থেকে তুলা আনতেও সময় বেশি লাগে। তাই সরকারের কাছ থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধা না পেলে দেশটি থেকে তুলা আমদানি করে প্রতিযোগিতায় টেকা যাবে না। আবার কিছু সুযোগ–সুবিধা দেওয়া হলে তাতে অন্যরাও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানিতে আগ্রহী হবেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজিবিএকে রেক্সসুবিধা প্রদানে বিজিএমইএর আপত্তি
বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনকে (বিজিবিএ) ইউরোপীয় ইউনিয়নের রেজিস্টার্ড এক্সপোর্টার (রেক্স) সুবিধা প্রদানে আপত্তি জানিয়েছে দেশের তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। রেক্সসুবিধা দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বিজিএমইএ এ দাবি জানিয়েছে।বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু চিঠিতে বলেছেন, বিজিবিএ হলো বায়িং হাউস ও এজেন্টদের সংগঠন। তারা কোনো কারখানা পরিচালনা করে না এবং সরাসরি রপ্তানি কার্যক্রমেও নেই। তাই তাদের বিজিএমইএ বা বিকেএমইএর সমপর্যায়ের সুবিধা দেওয়া অবাস্তব হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্যরা সারা দেশে হাজার হাজার কারখানা স্থাপন করেছেন; যেখানে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ রয়েছে। অন্যদিকে বায়িং হাউসগুলো কেবল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে, কোনো উৎপাদন অবকাঠামো বা বিনিয়োগ ছাড়াই।
The Daily Star
The LDC graduation conundrum
The least developed countries (LDCs) have been struggling to graduate to developing nations for years. But at the same time, these countries fear losing preferential trade, exports, and employment. So, they hesitate and step back even after becoming eligible for graduation.n almost every case, graduating LDCs have done the same, stepping back from the scheduled date of graduation. Whatever we say today or tomorrow, Bangladesh will have to face the reality of LDC graduation, and the government cannot continue subsidies for many years. Both the government and the private sector must prepare for a smooth graduation to ensure the sustainability of the economy and trade.
সমকাল
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকলে বিনিয়োগ আকর্ষণ কঠিন হবে
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকলে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ কঠিন হবে। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) তৈরি ‘মান্থলি ম্যাক্রোইকোনমিক ইনসাইটস (এমএমআই)’-এর ওপর আলোচনায় বক্তাদের মধ্য থেকে এমন মত আসে। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে পিআরআই কার্যালয় সংস্থার সেন্টার ফর ম্যাক্রোইকোনমিক অ্যানালাইসিস (সিএমইএ) অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডের (ডিএফএটি) সহযোগিতায় এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেন অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক এবং বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধিরা। পিআরআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলোচনার বিষয়বস্তু জানিয়েছে। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. খুরশিদ আলম উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে মুদ্রানীতি, মুদ্রাস্ফীতি ব্যবস্থাপনা এবং রাজস্ব প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে আলোচনা হয়।