January 13, 2026
The Business Standard
BGMEA recalls Khaleda Zia's contribution in RMG sector, holds doa mahfil
The Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) organised a special condolence meeting and doa mahfil today (12 January) in memory of former three-time prime minister Khaleda Zia, seeking eternal peace for her departed soul. The programme was held this afternoon at the Nurul Qader Auditorium of the BGMEA Complex in Uttara, Dhaka.The meeting was presided over by BGMEA Acting President Selim Rahman. BGMEA Senior Vice President Inamul Haq Khan, Vice Presidents Md Rezwan Selim, Vice President (Finance) Mizanur Rahman, Vice President Md Shihab Uddoja Chowdhury, Directors Shah Rayeed Chowdhury, Md Hasib Uddin, Mohammad Abdus Salam, Nafis-ud-Doula, Sumaiya Islam, Fahima Akter, Mozumder Arifur Rahman, Sheikh Hossain Mohammad Mostafiz, A B M Shamsuddin, Rashid Ahmed Hossaini, Mohammad Sohel, Samiha Azim, along with general members and prominent figures from the garment sector, were present, among others.
জাগো নিউজ২৪
খালেদা জিয়া পোশাকশিল্পের সত্যিকারের বন্ধু ছিলেন: বিজিএমইএ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দেশের পোশাকশিল্পের সত্যিকারের বন্ধু ছিলেন। সুযোগ-সুবিধা ও নগদ প্রণোদনা দিয়ে এ খাতের পথচলা সহজ করে দিয়েছিলেন। তার সময়েই দেশের পোশাক রপ্তানি প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। পোশাকশিল্পের নেতারা খালেদা জিয়াকে সবসময় শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরায় পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ আয়োজিত খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় শোকসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান ও পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী। শোকসভায় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি রেজোয়ান সেলিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক হাসিব উদ্দিন, পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালাম, পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা, পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম, পরিচালক ফাহিমা আক্তার, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ, পরিচালক এ.বি.এম. সামছুদ্দিন, পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল ও পরিচালক সামিহা আজিম প্রমুখ।
সমকাল
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার : রপ্তানি প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাকি ছয় মাসের জন্য রপ্তানি প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত থাকছে। বিদ্যমান ৪৩ ধরনের পণ্যে এ সহায়তা দেওয়া হবে। গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি হিসেবে গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুই ধাপে রপ্তানি প্রণোদনার হার কমানো হয়েছিল। চলতি বছরের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হওয়ার কথা। উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় থাকা কোনো দেশ নগদ সহায়তা দিতে পারে না। যে কারণে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরুতে প্রণোদনার হার কমানো হয়। চলতি অর্থবছরে আরও কমানোর কথা থাকলেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তা অপরিবর্তিত রয়েছে। সেই সঙ্গে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হতে আরও সময় চাওয়ার জোর দাবিও উঠেছে।
আজকের পত্রিকা
শুল্কের কারণে আমদানি কমাচ্ছেন মার্কিন ক্রেতারা
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ প্রায় সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর। বিশেষ করে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে গেছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, এই প্রবৃদ্ধি সারা বছরের প্রকৃত প্রবণতা তুলে ধরে না। তাঁর মতে, ট্রাম্প শুল্ক কার্যকরের আগে বড় লটে আমদানি হওয়ায় জানুয়ারি-অক্টোবরের হিসাবে প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আগস্টের পর থেকে রপ্তানির গতি স্পষ্টভাবেই কমছে এবং প্রতি মাসে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
বণিক বার্তা
রফতানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে কৃত্রিম তন্তুর পোশাকের দিকে ঝুঁকতে হবে : আশিকুর রহমান তুহিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেড গ্রুপ ও সাবেক পরিচালক
বাংলাদেশের পোশাক শিল্প অতীতে বহু সংকট মোকাবেলা করে আজকের শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে। সময় এসেছে আবারো একটি সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেয়ার। কৃত্রিম তন্তুর বিশাল সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে রফতানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে। বরং সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই হবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এবং রফতানি নিরাপত্তার একটি টেকসই পথ।
কালের কন্ঠ
বড় পতনে রপ্তানি খাত
রাজনৈতিক উত্তেজনা, ভোটের ডামাডোল, মব সন্ত্রাস আর নানা ইস্যুর আড়ালে নীরবে ডুবছে অর্থনীতির প্রাণ হিসেবে পরিচিত দেশের রপ্তানি খাত। পাঁচ মাস ধরে টানা এই খাতের আয় কমছে। কার্যাদেশ অন্য বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন তাঁরা। বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইউরোপে চলমান অর্থনৈতিক মন্দা, যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে চাহিদা হ্রাস এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রভাব পাঁচ মাস ধরে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নেতিবাচক ধারায় ঠেলে দিয়েছে।’ তাঁর মতে, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা সংকোচনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে তৈরি পোশাক খাতে। তিনি আরো বলেন, ‘চীন, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার তুলনামূলক দ্রুত, দক্ষ ও কম খরচে রপ্তানি প্রক্রিয়া, শক্তিশালী লজিস্টিক সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব নীতি সহায়তার কারণে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। এসব দেশের দিকে বৈশ্বিক ক্রেতাদের ঝোঁক বাড়ছে, যা বাংলাদেশের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।’
The Daily Sun
Export sector hit by sharp downturn
Amid political tensions, election-related turmoil, mob violence and multiple other issues, the country’s export sector—the backbone of the economy—is quietly sliding into a deep slump. Export earnings have declined for five consecutive months, while work orders are down by 30 to 40 per cent compared with the same period last year, entrepreneurs have said. They see little prospect of a turnaround before June. Former BGMEA Director Mohiuddin Rubel said the ongoing recession in Europe, declining demand in the US apparel market and reduced consumer purchasing power have kept Bangladesh’s export growth in negative territory for five months. He added that faster, cheaper and more efficient export processes, stronger logistics and business-friendly policies in countries such as China, Vietnam and Cambodia are drawing global buyers away from Bangladesh.
ঢাকা পোস্ট
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের বিনিয়োগ প্রশিক্ষণ দিল বিআইসিএম
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনভেস্টমেন্ট ইন ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক বিনিয়োগ শিক্ষা প্রশিক্ষণ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম)। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিইউএফটির মাল্টিপারপাস হলে এ বিনিয়োগ শিক্ষা প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
The Dhaka Tribune
Export incentives to continue in 43 sectors
The government has decided to continue export incentives and cash assistance in 43 sectors to encourage the country's export trade in the second half of FY26. In this case, the existing sector-wise incentive rates will be applicable against goods shipped from January 1 to June 30, 2026.According to the circular issued by the Foreign Exchange Policy Department of Bangladesh Bank, incentives will be provided as per the attached appendix for goods exported within the specified period. The circular was issued on Monday (January 12). Bangladesh Bank said that the terms and conditions of all previously issued FE circulars and circular letters for providing cash assistance or incentives against exports will remain in effect as usual.