April 23, 2026
কালের কন্ঠ
পোশাক কারখানায় সোলার সার্ভিসে ৫০% ছাড় দিচ্ছে বিজিএমইএ
দেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবহার উৎসাহিত করতে বড় ধরনের প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এখন থেকে কোনো সদস্য কারখানা তাদের ছাদে (রুফটপ) সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিলে বিজিএমইএর নির্ধারিত সার্ভিস ফিতে ৫০ শতাংশ রেয়াত বা ছাড় পাবে। গত ১৯ এপ্রিল বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে যেসব কারখানা সোলার সিস্টেম স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করবে, তারাই কেবল এই বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবে। শুধু সার্ভিস ফি মওকুফই নয়, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সহজ করতে আর্থিক সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দিয়েছে সংগঠনটি।
বণিক বার্তা
তৈরি পোশাকে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য নীতিগত সমন্বয় করতে হবে : সেলিম রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কেডিএস গ্রুপ, প্রথম সহসভাপতি, বিজিএমইএ
রফতানিমুখী পোশাক শিল্পে রফতানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে করহার ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগের মতো শূন্য দশমিক ৫ শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য ও পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে অ্যাসেসমেন্টের ক্ষেত্রে সম্পদ বিক্রির লাভ, সাব-কন্ট্রাক্ট আয় বা অন্যান্য ব্যয়কে ৩০ শতাংশ হারে করযোগ্য হিসেবে বিবেচনা না করে করপোরেট কর ১২ শতাংশ নির্ধারণ করা হলে শিল্পের ওপর করের চাপ বাস্তবসম্মত পর্যায়ে আসবে। সাব-কন্ট্রাক্ট খাতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ উৎসে আয়কর কমিয়ে ১ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং সেটিকে চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করা হলে এ খাত আরো গতিশীল হবে।
দৈনিক আমাদের সময়
জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকটে অর্ধেক সময় বন্ধ পোশাক কারখানা : বড় চ্যালেঞ্জ অর্ডার বাঁচানো
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান গতকাল আমাদের সময়কে বলেন বলেন, এই সংকট কেবল বাংলাদেশের না, পুরো বিশ্ব এই সংকটে ভুগছে। আমরা সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। ফুয়েল পাসে কোথাও কোথাও সুফল মিলছে। কারখানাগুলো প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা চালু থাকলেও বর্তমানে জ্বালানি সংকট, গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে প্রায় অর্ধেক সময় কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তবে বড় কারখানাগুলো দ্বিগুণ খরচে কারখানা চালু রেখে পণ্য উৎপাদন করছে। কিন্তু এভাবে কত দিন চলবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবে শুরুতে তেল কোম্পানিগুলো ফিরিয়ে দিলেও এখন স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি। তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহার করে লোকসানে পণ্য উৎপাদন করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ১০ ঘণ্টা কারখানা চালু থাকে। বর্তমানের ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বাকি সময় জ্বালানি ব্যবহার করে জেনারেটর চালাতে হয়। এতে প্রচুর জ্বালানি তেল চলে যায়। তেলের দাম বেড়েছে। ক্রেতাদের সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে কারখানা চালু রাখতে হচ্ছে। এতে ব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। কিন্তু ক্রেতারা তো আর বাড়তি দাম দেবে না। নিজেদের লোকসান দিতে হচ্ছে। সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে না পারলে ক্রেতারা পরে অর্ডার দেবে না; এমন চ্যালেঞ্জ নিয়ে অর্ডার ধরে রাখতে হচ্ছে।
The Daily Star
No overcapacity, forced labour in apparel sector
Bangladesh’s garment industry does not have overproduction capacity that could harm the American manufacturing sector and is free from forced labour, as exporters comply with internationally recognised labour laws, according to the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA). The association made the remarks in a position paper submitted to the commerce ministry as the government prepares to attend a hearing of an investigation launched by the United States Trade Representative (USTR) on April 29.
বাংলাদেশ প্রতিদিন
ব্যবসা বিনিয়োগে অশনিসংকেত
বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, সাভার, আশুলিয়া ও কোনাবাড়ী এলাকার শিল্প কারখানাগুলোতে প্রতিদিন ৩ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। আমরা যেখানে ঘণ্টার উৎপাদন করি। সেখানে এক ঘণ্টা দেরি মানে আমাদের বিরাট ক্ষতি। সেই জায়গায় আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখা বড় ক্ষতি। কারখানা সচল রাখতে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকার ফুয়েল কার্ড দিলেও পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কিছুটা মিলছে। যা চাহিদার তুলনায় কম। অনেক সময় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসার খরচ বেড়ে যায়। এসব কারণে আমাদের অর্ডার অন্যদেশে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি শূন্য হবে বাংলাদেশ- এমন আশঙ্কায় ক্রয়াদেশ স্থগিত করেছে অনেক বিদেশি ক্রেতা। বাংলাদেশ ছেড়ে এসব ক্রয়াদেশ ভারতসহ অন্য দেশে চলে যাচ্ছে।
বণিক বার্তা
সোলারের ব্যাটারি আমদানিতে সুবিধা দিলে কারখানায় ডিজেলের ব্যবহার কমবে : সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্যাসিফিক জিনস লিমিটেড
অর্থাৎ মোট ট্যাক্স জোনের প্রায় অর্ধেকই এই দুই শহরকেন্দ্রিক। যদি ৬৪টি জেলায় ট্যাক্স জোন বিস্তৃত করা যায় এবং উপজেলাগুলোকে এসব জোনের আওতায় আনা হয় তাহলে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অর্জন অনেক সহজ হবে। জ্বালানি সংকটের ফলে দেশের বড় শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদন সক্ষমতা ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। তবে যেসব কারখানায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে তারা এ সংকট তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পারছে। ডিজেলচালিত জেনারেটর মূলত লোডশেডিংয়ের সময় অল্প সময়ের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়। কিন্তু বর্তমানে ৪-৫ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় এগুলো চালাতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল এবং অস্থিতিশীল। এ পরিস্থিতিতে কার্যকর বিকল্প হতে পারে সৌর জ্বালানি।
The Daily Sun
CPD urges tax system overhaul ahead of LDC graduation
The Centre for Policy Dialogue (CPD) has called for a fundamental restructuring of the tax system, urging a shift from a narrow revenue-centric approach to a broader tax justice framework. The call came as the country prepares for the fiscal 2026-27 national budget and its graduation from Least Developed Country (LDC) status. In a joint report with Christian Aid titled “Tax Justice for Graduating Bangladesh: The Case of Corporate Income Tax and Value Added Tax,” CPD said the country’s tax system remains structurally weak, with a tax-to-GDP ratio of just 7.3%, the lowest in South Asia.