June 25, 2026
The Daily Star
Exporters seek wider use of UK trade scheme
Bangladeshi exporters have called for fully utilising the British government's duty-free market access scheme for developing countries, known as the Developing Countries Trading Scheme (DCTS). The call came at a roundtable on the scheme jointly organised by the Export Promotion Bureau (EPB) and the British High Commission at the bureau's office in Dhaka today, according to an EPB statement. The event brought together representatives from leading export associations, chambers and trade bodies to discuss strategies for enhancing the utilisation of DCTS preferences, addressing market access challenges and preparing Bangladeshi exporters for the country's graduation from LDC status. The discussion focused on raising awareness and increasing utilisation of the DCTS, barriers to accessing the UK market, and lessons from the ready-made garment (RMG) sector for diversifying exports across other promising industries. The roundtable was attended by the presidents of BCMEA, BPGMEA and Banglacraft. Representatives of major trade and industry bodies, including BGMEA, BKMEA, FBCCI, DCCI and MCCI, also took part in the discussion.
The Daily Sun
Work shortages, financial strain trigger industrial slump as 86% of 457 factories shut
BGMEA President Mahmud Hasan Khan said factory closures cannot be attributed to a single factor, noting that while some factories remain in crisis, others are still struggling to survive and could continue operations with appropriate support. Business leaders and analysts argue that the crisis stems from a combination of factors, including global economic pressures, post-pandemic challenges, reduced access to bank financing, energy shortages, inflation, management weaknesses and policy uncertainties. Bangladesh Chamber of Industries (BCI) President Anwar-ul-Alam Chowdhury Parvez said the crisis had evolved from an initial shortage of orders into a broader working capital problem, with many factories unable to open letters of credit for importing raw materials.
বিএসএস
পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল এ বৈঠক করেন। বৈঠকে তৈরি পোশাক ও টেকসই বস্ত্র খাতের বাস্তবতার সঙ্গে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্সের সামঞ্জস্য বিধানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিনিধি দলে বিজিএমইএ সভাপতির পাশাপাশি বিটিএমইএর সাবেক সভাপতি এ মতিন চৌধুরী, বিজিএমইএ পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা এবং কিংসলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
The Daily Observer
RMG Sector Eyes New Frontiers as Bangladesh Braces for Post-LDC Trade Reality
BGMEA President Mahmud Hasan Khan underscored the critical role of trade diplomacy in unlocking new opportunities for exporters. He noted that exports to non-traditional markets have surged nearly tenfold over the past 15 years "from just US$850 million to US$8.37 billion" thanks to supportive government policies and industry initiatives. "With stronger diplomatic engagement and enhanced trade cooperation, exports to these markets can expand substantially further," he said, adding that diversification is no longer optional but essential for the industry's long-term survival. Former BGMEA Director Mohiuddin Rubel echoed that view, arguing that market expansion must be accompanied by product diversification, greater value addition and stronger commercial diplomacy. "Exploring new markets alone will not be enough. We must simultaneously diversify products, move up the value chain and strengthen trade relations with key partners," he said.
অর্থসূচক
ডিসিটিএসের সুবিধা বাড়াতে ইপিবি-ব্রিটিশ হাইকমিশনের গোলটেবিল বৈঠক
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের (বিএইচসি) যৌথ উদ্যোগে আজ ইপিবির সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) বিষয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক সমিতি, চেম্বার ও বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা ডিসিটিএসের সুবিধা ব্যবহারের হার বৃদ্ধি, বাজারে প্রবেশের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বুধবার (২৪ জুন) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ। যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।
যুগান্তর
সংকট নিরসনে বাজেটে রোডম্যাপ জরুরি : উচ্চ করে নাকাল ব্যবসা-বাণিজ্য
দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের গড় আমদানি শুল্ক ও করপোরেট করহার-দুটোই বেশি। এর সঙ্গে নীতি ধারাবাহিকতার অভাব, ব্যবসার লাইসেন্স-পারমিট গ্রহণে জটিলতা, বন্দর-কাস্টমস-আয়করসহ সরকারি অফিসের ঘুস-দুর্নীতি বিনিয়োগকারীদের ‘গোদের ওপর বিষফোড়ার’ মতো যন্ত্রণা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমলাতান্ত্রিক এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে দেশি বিনিয়োগকারীরা কোনোরকমে নিশ্বাস নিচ্ছেন, হাঁপ ছেড়ে বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর বিদেশি বিনিয়োগের অবস্থা ক্রমেই নিম্নমুখী। তবে বিদ্যমান এমন পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকার কোনোভাবে দায়ী নয়। অতীতের সরকারের ভুলে খেসারতে দিতে হচ্ছে পুরো জাতিকে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এ সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, তা সরকারকে এই বাজেটের মধ্য দিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। যুগান্তরকে এমনটি জানিয়েছেন কয়েকজন বিশ্লেষক। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা উচ্চ করহার ও জটিল কর-কাঠামো। প্রশাসনিক জটিলতাও অনেক আছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এসব বিষয়ে সরব হয়েছেন। আগাম কর, অগ্রিম আয়কর, উৎসে কর, উৎসে মূসকসহ নানা নামে নানা বিধিনিষেধ পরিপালন করতে হয়। যার কারণে কার্যকর করহার ৪৫-৪৮ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়। এতে বেশি কর দিয়ে দেশি-বিদেশি কোনো বিনিয়োগকারীই ব্যবসা করতে পারবে না।
বণিক বার্তা
চুক্তির পরও শুল্কমুক্ত সুবিধা বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ায় উদ্বিগ্ন শিল্পোদ্যোক্তারা
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল জানানো হয়, এ বিষয়ে সংগঠনটির গুলশান কার্যালয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিটিএমএ জানায়, বৈঠকে সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের প্রাইমারি টেক্সটাইল শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) উত্তরণ-পরবর্তী রফতানি সক্ষমতা জোরদারের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। সংগঠনটি উল্লেখ করে, দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের প্রধান ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প হিসেবে বিটিএমএ দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
The Daily Star
Weaving a new future with jute : Md Mohiuddin Rubel, Former director of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
As global fashion turns away from fossil-fuel-based fibres, Bangladesh has a rare chance to stitch its past and future together through jute. That opportunity will not last forever. The choice now is whether to treat jute as a relic of the past or embrace it as a strategic material for the future. If Bangladesh chooses the second path, jute can once again become a symbol of creativity, resilience, and national confidence -- this time woven into the very fabric of global fashion. The moment to act is now.
কালের কণ্ঠ
রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা বাণিজ্য জোট মার্কোসুর
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বিদ্যমান শুল্ক সুবিধা ধীরে ধীরে কমে আসবে। ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন বাজার খোঁজা। এই বাস্ততায় দক্ষিণ আমেরিকার আঞ্চলিক বাণিজ্য জোট মার্কোসুরকে সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে দেখছেন নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। প্রায় ২৭ কোটি মানুষের এই বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি এখনো খুব সীমিত। অথচ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে নিয়ে গঠিত মার্কোসুর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ওপর অতিনির্ভরতা কমাতে নতুন বাজার অনুসন্ধানের বিকল্প নেই। সেই বিবেচনায় দক্ষিণ আমেরিকার মার্কোসুর অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণের এখনই উপযুক্ত সময়। ইইউতে জিএসপি প্লাস ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) আলোচনার পাশাপাশি মার্কোসুরমুখী উদ্যোগ বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা ।
দৈনিক আমাদের সময়
সবুজ বিপ্লবের মহাপরিকল্পনা
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অধীনে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে রেকর্ড ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশাল কর্মযজ্ঞের এই পরিকল্পনায় পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ নতুন সবুজ কর্মসংস্থান (গ্রিন জবস) সৃষ্টি হবে। এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ (এক শিশু, এক গাছ) কর্মসূচি। এই বিশেষ উদ্যোগের আওতায় দেশের প্রায় ১ কোটি শিশুকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ ও এর পরিচর্যা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হবে। এর ফলে শৈশব থেকেই নতুন প্রজন্মের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে উঠবে।