BGMEA DAILY DIGEST
News published in media related to RMG: Today’s RMG News

July 27, 2026

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024303__1785132032.png
প্রথম আলো
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৬ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার। এর মধ্যে পণ্য খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বিষয়ক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।রপ্তানি বহুমুখীকরণ বিষয়ে তিনি বলেন, পোশাকশিল্প থেকে রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশ আসে। কোনো দেশের জন্য এটি স্বস্তিকর বা সুখকর নয়। এ জন্য সম্ভাবনাময় অন্যান্য খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো শিগগিরই দেখা যাবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই তৈরি পোশাক খাত থেকে ৮০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হোক। পাশাপাশি অন্যান্য খাত থেকেও রপ্তানি আয় বাড়ুক, যাতে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় আসে।’
uploads/trade_daily/digest_photo_1000024304__1785132032.webp

আগামীর সময়
বর্তমান বাস্তবতায় উচ্চাভিলাষী: ইনামুল হক খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেছেন, বর্তমান বাস্তবতায় রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে এই লক্ষ্য কীভাবে অর্জিত হবে, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশই আসে পোশাক খাত থেকে; কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, তীব্র জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদহার এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে খাতটিতে নতুন বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে। নতুন উদ্যোক্তা আসছেই না; বিদ্যমান উদ্যোক্তারাও টিকে থাকার জন্য কঠিন সংগ্রাম করছেন। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের রপ্তানি খাতই একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। বিশেষ করে পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা আস্থার সংকটে ভুগছেন। এই বাস্তবতায় ঘোষিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে।

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024292__1785132032.png

The Business Standard
Exports face massive 15% growth test Bangladesh has set an ambitious export goal for the current fiscal year, targeting a 15% jump in earnings to $63.4 billion despite factories operating well below capacity for months amid a persistent shortage of orders. The challenge is clear, considering exports shrank 0.58% in the last fiscal year. Shehab Udduza Chowdhury, vice-president of BGMEA, said the government has announced some positive policies, but implementation remains weak. "Overall, the challenges are mounting, making the target unrealistic," he said. For instance, he said India's FTA with the European Union will allow its exports to enter the bloc duty-free within the next five to six months, creating a fresh challenge for Bangladesh. He warned that renewed tensions in the Middle East could trigger another energy shock, while gas shortages at home had already intensified.

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024293__1785132032.webp

The Daily Sun
Govt sets $63.4b export target for FY27 The government has set an export target of US$63.4 billion for the 2026-27 fiscal year, aiming for 15% growth in both merchandise and service exports despite ongoing global economic uncertainty.Of the total target, merchandise exports are projected at $55.2 billion, while service exports are expected to contribute $8.2 billion. MCommerce Minister Khandakar Abdul Muktadir announced the target at a press briefing at the Ministry of Commerce on Sunday.

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024294__1785132032.webp

সমকাল
এসডিজি অর্জনে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে আরও অন্তত ৪২১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারি এসডিজি অর্থায়ন কৌশলগত পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। রোববার রাজধানীতে ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায়’ এই তথ্য জানানো হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এই কর্মশালাটির আয়োজন করে। এতে ডিএফএ এর খসড়া প্রতিবেদনের ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের হালনাগাদ এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনা করা হয়।

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024295__1785132032.webp

আমাদের সময়
চাপের মুখে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বর্তমান পরিস্থিতিকে আইনি কাঠামোর বদল এবং শুল্কের হারে নতুন করে বাস্তবিক কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করলেও ব্যবসায়ী নেতারা মনে করছেন সাময়িক শুল্কটি এখন স্থায়ী রূপ পাওয়ায় এটিকে চ্যালেঞ্জ করা আরও কঠিন হবে। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের শুল্ক হার ১০ শতাংশ হলেও প্রধান প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের পণ্যে শুল্কহার বাড়িয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় ভালো থাকব। তবে সামগ্রিকভাবে শুল্ক বাড়লে বিক্রি কমবে, যার কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব রপ্তানির ওপর পড়বে। বিজিএমইএ-এর সাবেক পরিচালক এবং ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘নতুন শুল্ক কাঠামোটি আকস্মিক কোনো বিষয় নয়; বরং এটি মার্কিন বাণিজ্যিক কৌশলেরই অংশ। সাময়িক শুল্কগুলো স্থায়ী আইনি রূপ পাওয়ায় একে চ্যালেঞ্জ করা এখন আরও কঠিন হবে।

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024296__1785132032.webp

ইত্তেফাক
বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ : বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে আবারও দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভিয়েতনাম। এ তথ্য জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান।শনিবার (২৫ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আর্থিক, নীতিগত আর পরিচালনাগত নানা সমস্যার কারণে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাচ্ছে। হারানো অবস্থান ফিরে পেতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024298__1785132032.jpg

The Daily Star
Restoring Bangladesh’s export edge: Asif Ibrahim, vice chairman of Newage Group of Industries The recent export slowdown reflects both global and domestic pressures. Weak consumer demand in the United States and Europe, driven by high inflation, rising interest rates and slower economic growth, has reduced orders for clothing. At home, power and gas shortages, rising production and transport costs, port congestion and customs delays have eroded competitiveness. Bangladesh has also made limited progress in diversifying exports.

uploads/trade_daily/digest_photo_1000024297__1785132032.webp

জাগোনিউজ ২৪
গ্যাস সংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদনে ধস শিল্প মালিকরা বলছেন, কোনো কোনো সময় গ্যাসের চাপ এতটাই কমে যায় যে, কারখানার মেশিন চালু রাখা সম্ভব হয় না। ফলে মেশিন চালু ও বন্ধ করতে গিয়ে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটছে। অনেক কারখানায় দিনের বড় একটি সময় মেশিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তাদের মতে, গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে শিল্প উৎপাদন আরও কমে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়বে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে। এরই মধ্যে অনেক কারখানা উৎপাদন কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে। কেউ কেউ শিফট কমিয়ে দিয়েছে, আবার কোথাও মেশিন ও উৎপাদন লাইন দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে।